Skip to main content

কবুতরের সালমোনেলা রোগ প্রতিরোধে করণীয়

কবুতরের সালমোনেলা রোগ প্রতিরোধে করণীয়
কবুতরের সালমোনেলা রোগ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। আমাদের দেশে অনেকে শখের বসে আবার অনেকেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর পালন করে থাকেন। তবে যে উদ্দেশ্যেই পালন করা হোক না কেন কবুতর পালনে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
এসব সমস্যার মধ্যে কবুতরের রোগ অন্যতম। কবুতরের রোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কবুতরের সালমোনেলা রোগ। আসুন জেনে নেই কবুতরের সালমোনেলা রোগ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে-

কবুতরের সালমোনেলা রোগ প্রতিরোধে করণীয়ঃ


বিভিন্ন কারণে কবুতর সালমোনেলা রোগ দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। কারণগুলো নিচে দেওয়া হল-
সালমোনেলা রোগের কারণঃ

১। বুনো পায়রা সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ।
২। আবহাওয়া খুব ঘন ঘন পরিবর্তন হলে।
৩। নতুন পায়রা প্রবর্তনের মাধ্যমে।
৪। খাদ্য বিষক্রিয়াগত কারনে , দূষিত মাটি বা জল থেকে, তেলাপোকা বা খাদ্য থেকে আক্রান্ত একটি প্রাণী থেকে খাদ্য খাওয়া, লালা, বায়ু, কাশি ইত্যাদি ।
৫। তীক্ষ্ণদন্ত প্রাণী দ্বারা সংক্রমিত(যেমন ইঁদুর), সংক্রামক জীব দ্বারা রোগ ছড়াতে পারে।
৬। সংক্রমিত মলের মাধ্যমে এই রোগ ছড়াতে পারে।
সালমোনেলা রোগের প্রতিরোধঃ 

১। সামান্য পটাশ মিশ্রণ পানির সঙ্গে খাদ্য ভালো করে ধুয়ে নিয়ে রোদে শুকিয়ে খাওয়ালে ভাল ফল পাওয়া যায়
২। ইঁদুর, তেলাপোকা বা কোন অবাঞ্ছিত প্রাণী যেন খামারে প্রবেশ করে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৩। কবুতরের খামারে সরবরাহকৃত পানিকে ফিল্টার করে কিংবা ফুটিয়ে সরবরাহ করতে হবে।
৪। খাদ্য ও পানির পাত্র সঠিকভাবে পরিষ্কার করে রাখতে হবে।
৫। খামারে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন জীবাণু নাশক দিয়ে স্প্রে করতে হবে।
৬। খামারে কবুতরের বাসস্থান সপ্তাহে ২-৩ বার পরিষ্কার করতে হবে।
৭। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে।
সতর্কতাঃ

আক্রান্ত কবুতরকে পরিচর্যার জন্য হাত ভালো করে জীবাণু মুক্ত ঔষধ দিয়ে ধুয়ে নিয়ে গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। সম্ভব হলে আক্রান্ত কবুতরকে আলাদা করে রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে…

Comments

Popular posts from this blog

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শক্তি বৃদ্ধিকারী কিছু খাবার

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। মানুষের এমন কোনো সমস্যা বা এমন কোনো দিক ও বিষয় নেই ইসলাম যে ব্যাপারে সমাধান বা পথ-নির্দেশনা প্রদান করেনি। একজন পুরুষ এবং একজন নারীর বৈধ সম্পর্ক-বিবাহের মাধ্যেম একটি পবিত্র সংসার রচিত হয়। একটি দাম্পত্য জীবনের সূচনা এবং যাপন নিশ্চত হয়। একটি সংসার বা একটি দাম্পত্য জীবনের নানান মৌলিক উপাদান-বিষয়ের মাঝে স্বামী-স্ত্রী যৌন জীবন অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।একজন স্বামী বা একজন স্ত্রী দাম্পত্য জীবনের এই যৌন আয়োজনে সুখি না হলে কোনো ভাবেই সুখি হয় না তাদের দাম্পত্য জীবন। যদিও একটি বিবাহ বা একটি সংসার-দাম্পত্য জীবনের মূল উদ্দেশ্য যৌনতা নয় তবুও মৌলিক এই উপাদানের অভাবে অনেক সময়ই ভেঙ্গে যায় অনেক সংসার। অথচ যৌন শক্তিকেন্দ্রিক এই অভাব-অক্ষমতা কিন্তু চিরস্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। অনেক পুরুষ বা নারী নিজের অশুভ কর্মফলের কারণে এমন সমস্যায় ভোগেন আবার অনেকে এমন অভাব-অক্ষমতার শিকার হন বিভিন্ন পারিপার্শিক কারণে। কারণ যাই হোক সমস্যার সমাধান রয়েছে এবং ইসলাম এই প্রকারের সমস্যার সমাধানে বেশ গুরুত্ব প্রদানকরেছে। আল্লাহ মহানের সৃষ্টি অপার। মানুষের খাদ্য-পানীয় হিসেবে অসংখ্য-অ...
হাঁসের বাচ্চা ফুটিয়ে রেজার মাসিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা January 9, 2020 ...
  ট্রাইকোডার্মাঃ ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারি উপকারি ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি মাটিতে বসবাসকারি উদ্ভিদের ক্ষতিকর জীবাণু যেমন- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও নেমাটোডকে মেরে ফেলে। ট্রাইকোডার্মা প্রকৃতি থেকে আহরিত এমনই একটি অণুজীব যা জৈবিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রোগ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রাইকোডার্মা বায়োপেস্টিসাইডটি প্রথম আবিষ্কার করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.বাহাদুর মিয়া যা ২০১৩ সালের জুন মাসে বগুড়া আরডিএ ল্যাবরেটরীতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হয়। ট্রাইকোডার্মার ব্যবহার ও উপকারিতা: এটি ট্রাইকো-সাসপেনশন, পাউডার এবং পেস্ট আকারে উৎপাদন সম্ভব। নিয়মানুযায়ী স্প্রে করলেই এর কার্যকারিতা পাওয়া যায়। পঁচা আবর্জনায় ‘ট্রাইকো-সাসপেনশন’- এর জলীয় দ্রবণ মিশিয়ে দ্রুত সময়ে ট্রাইকো-কম্পোস্ট উৎপাদন করা সম্ভব। এটি সহজলভ্য হওয়ায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। এর ব্যবহারে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব।...