Skip to main content

কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে করণীয়

কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে করণীয়
কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে করণীয় সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আমাদের দেশে কবুতর পালন একটি লাভজনক পেশা। অনেকেই শখের বসে আবার কেউ কেউ বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন করে থাকেন। কবুতর পালনে অনেক সময় কবুতরের চোখে কিংবা ঠোঁট গোটা দেখা যায়। আসুন জেনে নেই কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে করণীয় সম্পর্কে-

কবুতরের ঠোঁট কিংবা চোখের পাতায় গোটা হলে করণীয়ঃ


মশার কামর কিংবা অপরিস্কার জনিত কারনে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের কারনে এই সমস্যা দেখা দেয়। নিচে এই সমস্যার সমাধান নিয়ে একটু আলোচনা করা হল-
১। প্রথমত কবুতরের থাকার স্থান পরিস্কার রাখতে হবে যাতে ময়লা না হয়।
২। কবুতরের থাকার স্থানে মশা যাতে কম হয় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩। যদি গোটা হয়েই যায় তাহলে প্রাথমিক ভাবে গোটাটি ছোট থাকতেই খুটে পয়জন হলে সেটা পরিস্কার করে পটাশ / কেরোসিন তেল লাগিয়ে দিন।
৪। ২ থেকে ৩ দিন পরে গোটাটি একটা ঘা তে পরিণত হবে সামান্য পয়জন হতেও পারে নাও হতে পারে। এই ঘা টা পুনরায় খুটে আবার কেরোসিন তেল বা পটাশ লাগিয়ে দিতে হবে।
৫। এভাবে ৩ থেকে ৪ বার কেরোসিন তেল বা পটাশ লাগালে কবুতরের এই সমস্যা দূর হবে।

আরও পড়ুনঃ কবুতরের বাচ্চার এডিনো ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

Comments

Popular posts from this blog

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শক্তি বৃদ্ধিকারী কিছু খাবার

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। মানুষের এমন কোনো সমস্যা বা এমন কোনো দিক ও বিষয় নেই ইসলাম যে ব্যাপারে সমাধান বা পথ-নির্দেশনা প্রদান করেনি। একজন পুরুষ এবং একজন নারীর বৈধ সম্পর্ক-বিবাহের মাধ্যেম একটি পবিত্র সংসার রচিত হয়। একটি দাম্পত্য জীবনের সূচনা এবং যাপন নিশ্চত হয়। একটি সংসার বা একটি দাম্পত্য জীবনের নানান মৌলিক উপাদান-বিষয়ের মাঝে স্বামী-স্ত্রী যৌন জীবন অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।একজন স্বামী বা একজন স্ত্রী দাম্পত্য জীবনের এই যৌন আয়োজনে সুখি না হলে কোনো ভাবেই সুখি হয় না তাদের দাম্পত্য জীবন। যদিও একটি বিবাহ বা একটি সংসার-দাম্পত্য জীবনের মূল উদ্দেশ্য যৌনতা নয় তবুও মৌলিক এই উপাদানের অভাবে অনেক সময়ই ভেঙ্গে যায় অনেক সংসার। অথচ যৌন শক্তিকেন্দ্রিক এই অভাব-অক্ষমতা কিন্তু চিরস্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। অনেক পুরুষ বা নারী নিজের অশুভ কর্মফলের কারণে এমন সমস্যায় ভোগেন আবার অনেকে এমন অভাব-অক্ষমতার শিকার হন বিভিন্ন পারিপার্শিক কারণে। কারণ যাই হোক সমস্যার সমাধান রয়েছে এবং ইসলাম এই প্রকারের সমস্যার সমাধানে বেশ গুরুত্ব প্রদানকরেছে। আল্লাহ মহানের সৃষ্টি অপার। মানুষের খাদ্য-পানীয় হিসেবে অসংখ্য-অ...
হাঁসের বাচ্চা ফুটিয়ে রেজার মাসিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা January 9, 2020 ...
  ট্রাইকোডার্মাঃ ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারি উপকারি ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি মাটিতে বসবাসকারি উদ্ভিদের ক্ষতিকর জীবাণু যেমন- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও নেমাটোডকে মেরে ফেলে। ট্রাইকোডার্মা প্রকৃতি থেকে আহরিত এমনই একটি অণুজীব যা জৈবিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রোগ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রাইকোডার্মা বায়োপেস্টিসাইডটি প্রথম আবিষ্কার করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.বাহাদুর মিয়া যা ২০১৩ সালের জুন মাসে বগুড়া আরডিএ ল্যাবরেটরীতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হয়। ট্রাইকোডার্মার ব্যবহার ও উপকারিতা: এটি ট্রাইকো-সাসপেনশন, পাউডার এবং পেস্ট আকারে উৎপাদন সম্ভব। নিয়মানুযায়ী স্প্রে করলেই এর কার্যকারিতা পাওয়া যায়। পঁচা আবর্জনায় ‘ট্রাইকো-সাসপেনশন’- এর জলীয় দ্রবণ মিশিয়ে দ্রুত সময়ে ট্রাইকো-কম্পোস্ট উৎপাদন করা সম্ভব। এটি সহজলভ্য হওয়ায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। এর ব্যবহারে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব।...